যশোরের বাঘারপাড়ায় ১২ বছর বয়সী এক আবাসিক মাদ্রাসাছাত্রকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে আব্দুর রহিম (৪৫) নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বাঘারপাড়া থানায় মামলা করেছেন।
গ্রেপ্তার আব্দুর রহিম উপজেলার ছিলিমপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়নের দৌলতপুর দক্ষিণপাড়া নুরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ অক্টোবর রাতে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মাদ্রাসায় ঘুমিয়ে পড়ে ওই শিক্ষার্থী। রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ছুটি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তাকে যৌন নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনার সময় পাশে ঘুমিয়ে থাকা অপর এক শিক্ষার্থীর ঘুম ভেঙে যায়। সে বিষয়টি দেখতে পেয়ে মাদ্রাসার অন্য এক শিক্ষককে জানায়। পরে ওই শিক্ষক স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি অবহিত করেন।
ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে পাশের একটি মসজিদে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে নারিকেলবাড়িয়া পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা তাঁকে হেফাজতে নিয়ে থানায় যান।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বাঘারপাড়া থানায় মামলা করেন। মামলাটি থানায় ৮ নম্বর মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত শিক্ষককে আদালতে পাঠানো হয়।
মতামত